• ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ১২ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Convoy

রাজ্য

অল্পের জন্য রক্ষা অধীর! এসকর্ট গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কা, রিপোর্ট চাইল কমিশন

কান্দি থেকে বহরমপুর ফেরার পথে বড় দুর্ঘটনার মুখে পড়ল কংগ্রেস প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরীর কনভয়। একটি ট্রাক এসে তাঁর এসকর্ট গাড়িতে ধাক্কা মারে। অল্পের জন্য রক্ষা পান অধীর চৌধুরী। দুর্ঘটনায় তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন জওয়ান আহত হয়েছেন। ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।বুধবার কান্দিতে নির্বাচনী প্রচার সেরে বহরমপুর ফিরছিলেন অধীর চৌধুরী। সেই সময় হঠাৎ একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁর এসকর্ট গাড়িতে ধাক্কা মারে। ধাক্কার ফলে গাড়ির পিছনের অংশ ভেঙে যায়। যে গাড়িতে ধাক্কা লাগে, তার ঠিক পিছনেই ছিল অধীরের গাড়ি। তাই অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।দুর্ঘটনার পর কংগ্রেস কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ সময়মতো পৌঁছায়নি। তাঁদের দাবি, প্রায় কুড়ি মিনিট কেটে যাওয়ার পরও থানার কোনও আধিকারিক সেখানে আসেননি। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে কংগ্রেস।ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন দ্রুত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। কীভাবে এমন দুর্ঘটনা ঘটল, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভোটের আগে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বেড়েছে রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির সামনে সংঘর্ষ! রোড শোতেই চরম অশান্তি

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিনই চরম উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে রোড শো চলাকালীন দুই রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়।ঘটনাটি ঘটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির গলির সামনে। সেখানে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে এগিয়ে আসতে হয় এবং পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়।এ দিন রোড শো চলাকালীন তৃণমূল সমর্থকরা কালো পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরাও। দুই পক্ষের উত্তেজনা ক্রমেই বাড়তে থাকে।পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন অমিত শাহের কনভয় ওই এলাকায় পৌঁছয়। তখন জুতো ছোড়াছুড়ির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। উত্তেজনার মধ্যে কনভয় এগোনো কঠিন হয়ে পড়ে।এই পরিস্থিতিতে অমিত শাহকে কনভয় থেকে নেমে যেতে হয়। পরে তিনি একটি ছোট গাড়িতে উঠে ওই এলাকা পার হন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।মনোনয়ন জমা দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে এই ধরনের ঘটনার জেরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ।

এপ্রিল ০২, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ে ঢুকল ২০০ কিমি বেগে গাড়ি! মাথায় আঘাত মমতার

বুধবার বর্ধমানের সভা সেরে সড়কপথে কলকাতায় আসার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি। চোট পান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্ধ্যায় রাজ্যপালের সহ্গে বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী ভয়ঙ্কর ইঙ্গিত করেছেন। দাবি করেন, যে ভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তাতে তাঁর মৃত্যুও হতে পারত! মমতা জানান, একটি গাড়ি ২০০ কিলোমিটার বেগে তাঁর কনভয়ে ঢুকে পড়েছিল। যে কারণে তাঁর গাড়ির চালক জোরে ব্রেক কষেন। তাতেই তাঁর মাথায় আঘাত লেগেছে।আঘাতের কারণে বর্তমানে তাঁর শীতকরছে, মাথাও ব্যথা করছে বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রী। জ্বর আসতে পারে বলে আশঙ্কা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।কীভাবে আঘাত পেলেন তিনি? কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা? উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, জানি না ঠিক কী হল। আমরা একটা গলি দিয়ে বেরচ্ছি। সামনে একটা গাড়ি প্রায় ২০০ স্পিডে যাচ্ছে। পুরো মরেই যেতাম। যে ড্রাইভার ছিল, ও সঙ্গে সঙ্গে ব্রেক কষে। তখন ড্যাশবোর্ডটা আমার মাথায় এসে লাগে। রক্তও বেরিয়েছিল। তাই নিয়ে কাজ করে গেলাম।দুর্ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তাঁর গাড়ির কাচটা খোলা ছিল তাঁর। জনসংযোগের জন্যই ওই কাচ খোলা রেখেছিলেন তিনি। বলেন, যদি কাচটা বন্ধ থাকত তাহলে কাচ-ড্যাশবোর্ড সব শুদ্ধ আমার সারা শরীরের ওপর পড়ত। মানুষের আশীর্বাদে বেঁচেছি।শেষে তিনি বলে যান, আমার মাথা টনটন করছে। গা বমি বমি করছে। তাই বাড়ি চলে যাচ্ছি।ওই গাড়িতে কে ছিলেন? তা জানেন না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বলেন, আইন আইনের পথে চলবে। পুলিশ সবটা দেখছে।বুধবার কলকাতা থেকে হেলিকপ্টারে বর্ধমানে গিয়ে প্রশাসনিক সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। ফেরার পথে আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় আর কপ্টারে নয়, গাড়িতে চেপে কলকতার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। সড়ক পথে ফেরার পথেই চোট পান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি জিটি রোডে ওঠার সময়ে চালক আচমকা জোরে ব্রেক কষেন। তাতেই মুখ্যমন্ত্রীর কপাল গাড়ির উইন্ড স্ক্রিনে ঠুকে যায়। মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ে অন্য একটি গাড়ি ঢুকে পড়াতেই এই বিপত্তি বলে সেই সময়ই জানা গিয়েছিল।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৪
রাজ্য

শুভেন্দুর কনভয়ে দুর্ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই মারিশদা-সহ একাধিক থানার ওসি বদল, জোর জল্পনা পূর্ব মেদিনীপুরে

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার একাধিক থানায় প্রশাসনিক স্তরে রদবদল হল। মারিশদা থানার ওসি বদল নিয়ে নতুন জল্পনা। জেলার রাজনৈতিক মহলের ধারণা, একাধিকবার দুর্ঘটনার কবলে বিরোধী দল নেতার গাড়ি। তাই কি মারিশদা থানার ওসি বদল? না, শুধু মারিশদা থানা নয়, বদল হয়েছে একাধিক থানার ওসি। মারিশদা থানা থেকে ওসি রাজু কুণ্ডুকে সরিয়ে পাঠানো হয়েছে পটাশপুরে। সেখানেও তিনি ওসি পদেই কর্মরত। মারিশদায় পাঠানো হয়েছে কাঁথি থানার এসআই সৌমেন গুহকে। ওসি পটাসপুর দীপক চক্রবর্তীকে পাঠানো হয়েছে দীঘা মোহনা থানায়। ওসি দীঘা মোহনা অমিত দেব খেজুরি থানার দায়িত্বে এসেছেন। তিনি এখানে ওসি পদে কর্মরত। খেজুরি থানার ওসি কামের হাসিদকে কাঁথি থানায় পাঠানো হয়েছে।মঙ্গলবার রাত ১১টা নাগাদ একটি বদলি নির্দেশিকা পাওয়া গিয়েছে জেলা পুলিশ সূত্রে। এক্ষেত্রে একটি বিষয় উল্লেখ্য, মারিশদা থানার বেতালিয়াতে বিকেল চারটায় পনেরো নাগাদ বিরোধী দল নেতা কাঁথি থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে একটি দুর্ঘটনা ঘটে। কয়েকদিন আগেই এই থানা এলাকায় রথের দিন দুরমুঠের সামনে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। একটি ট্রাক মুখোমুখি চলে আসে। শুভেন্দুর কনভয়ে থাকা শেষ গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লেগে যায়। তবে সেই গাড়িতে ছিলেন না বিরোধী দলনেতা। ঠিক ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ওই এলাকার থানার ওসি বদল ঘিরে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। একাংশের মতে, বারবার বিরোধী দলনেতার গাড়ি এভাবে দুর্ঘটনার মুখে পড়ার ফলেই কি ওসি বদল হল? তবে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশসুপার অমরনাথ কে ফোনে জানিয়েছেন, এটি রুটিন মাফিক বদল। এতে কোনও অস্বাভাবিকত্ব নেই।

আগস্ট ২৪, ২০২২
রাজ্য

জেপি নাড্ডার গাড়িতে হামলা, মুখ্যসচিব - ডিজিকে তলব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গতকালই রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট চেয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। শুক্রবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে নিজের রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছেন। সুত্রের খবর সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, নাড্ডা-সহ অন্য বিজেপি নেতাদের উপযুক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেনি রাজ্যের পুলিশ। রাজ্যপালের এই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডিজিপি বীরেন্দ্রকে তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আগামী ১৪ ডিসেম্বর তাঁদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে হাজিরা দেওয়ার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সুত্রের খবর। আরও পড়ুন ঃ চলতি মাসেই রাজ্যে অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মনে করছে, রাজ্যের নিরাপত্তার দায় মুখ্যসচিব এবং ডিজিপির। রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার জন্য কোনও ভিআইপির নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করা যাবে না। আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বীরেন্দ্রর কাছে আগামী ১৪ ডিসেম্বর পুরো ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হবে। রিপোর্টে সন্তুষ্ট না হলে তাঁদের কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হতে পারে। তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হতে পারে বলেও সুত্রের খবর।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
রাজ্য

নাড্ডা ডায়মন্ড হারবারে গাড্ডায় পড়েছেঃ অভিষেক

আজ বিজেপির জেপি নাড্ডা ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে গাড্ডায় পড়েছে। তা আমি কী করতে পারি? সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশের দায়িত্ব তো আমার নয়। বৃহস্পতিবার নাড্ডার কনভয় লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ নিয়ে এই প্রতিক্রিয়া দিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন মানুষের ক্ষোভ, তার ব্যাখ্যাও দেন অভিষেক। বলেন,লকডাউনের সময় মানুষের খোঁজ নেননি। জিএসটি, নোটবন্দি করে মানুষের জীবনে অন্ধকার এনেছেন আপনারা। আরও পড়ুন ঃ উত্তরকন্যার দেওয়ালে এবার পড়ল রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোষ্টার একদিনও খোঁজ নেননি। লকডাউনের সময় কোন নেতাকে খোঁজ নিতে দেখেছেন আপনারা? কবার লকডাউনে মানুষের পাশে দেখতে পেয়েছেন? একমাত্র যদি কেউ দাঁড়িয়ে থাকে, কালীঘাটে টালির ছাদেরতলায় সেই মহিলা। তিনি আরও বলেন,মানুষকে হিসাব দিতে হবে না। আসল বন্ধু কে, তা মানুষ ভালো করে জানে। সিপিএম-বিজেপি কংগ্রেস এক। যত কম বলা যায় তত ভালো।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
কলকাতা

বিজেপি নিজেই নাড্ডার কনভয়ে হামলা চালিয়েছেঃ সুব্রত মুখোপাধ্যায়

জেপি নাড্ডা যখন গাড়ি করে যাচ্ছিলেন, তখন তার গাড়ির ভেতর থেকে ভিডিও করে প্ররোচনা তৈরি করা হচ্ছিল। এটা পরিকল্পনামাফিক করা হয়েছে। জ়েপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার প্রসঙ্গে এই মন্তব্য করলেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পাবলিসিটির নেওয়ার জন্য এসব করা হয়েছে। রাজনীতির নাম করে শান্তিপ্রিয় পশ্চিম বাংলাকে অশান্ত করার চেষ্টা চলছে। তৃণমূল কংগ্রেসকে বদনাম করার চেষ্টা চলছে। আরও পড়ুন ঃ বাংলার পার্টি তৃণমূল, বিজেপি দিল্লির দলঃ মমতা এই পরিকল্পনা সফল হবে না। যদি কেউ অন্যায় করে থাকে তা যদি তৃণমূল কংগ্রেসের দলের কেউ হয়, আমরা খতিয়ে দেখব শাস্তি হবে। দলের কর্মীরা যাতে ফাঁদে পা না দেয়, সেই জন্য সতর্ক থাকতে অনুরোধ করব। তিনি আরও বলেন, আমি অবাক হব না, যদি বিজেপির নেতারা এটা করে থাকেন। আমরা অনেক জায়গায় দেখেছি , ওদের লোকেরা কিছু করে আমাদের নামে দোষ দেয়। যখন ওদের দলের কোনো নেতা আসেন নিজেরা নিরাপত্তা নিয়ে আসেন। আমরাও নিরাপত্তার দিই।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
রাজ্য

স্রেফ মা দুর্গার কৃপায় সভায় পৌঁছতে পেরেছি , নাড্ডা

এ রাজ্যে জঙ্গলরাজ চলছে, আইনের শাসন বলে কিছু নেই। শুধু কাটমানি আর কাটমানি। বৃহস্পতিবার ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে এমনই কথা বললেন বিজেপির সর্ভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তিনি বলেন, মোদিজি অর্থ দিচ্ছেন আর কাটমানিতেই সব শেষ হয়ে যাচ্ছে। ডায়মন্ড হারবারে কার্যকর্তাদের বৈঠকে আসার পথে আমার কনভয় হামলা হয়েছে। মুকুল রায়, কৈলাস বিজয়বর্গীয়র উপরও আক্রমণ হয়েছে। দেখুন, তাঁরা জখম। এই আক্রমণের তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছি। পুলিশ প্রশাসনেরও রাজনীতিকরণ হয়ে গিয়েছে, বোঝা যাচ্ছে। এরপর সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের নাম নিয়ে নাড্ডার হুঙ্কার, মমতাজির দিন শেষ। বর্বর সরকার উৎখাত হবেই। এখানে পদ্ম ফুটবে। মমতাজি, আপনি বিশ্রাম নিন। এবার বিজেপিকে বাংলার উন্নয়নে কাজ করতে দিন। তিনি আরও বলেন, আমরা আসার সময় যে দৃশ্য দেখলাম তাতে বোঝা যাচ্ছে, মমতাজির আমলে বাংলায় অরাজকতা ও অসহিষ্ণুতার শিখরে পৌঁছে গিয়েছে। আমার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী না থাকলে কী অবস্থা হত কে জানে। এখানকার বিজেপি কর্মীদের কী অবস্থা তাও আন্দাজ করতে পারছি। মা দুর্গার কৃপায় ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছেছি। তৃণমূলের ক্যাডাররা আটকানোর কোনও চেষ্টা বাদ দেয়নি। কিন্তু এই গুন্ডারাজের পতন অনিবার্য। আরও পড়ুন ঃ নাড্ডার কনভয়ে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে এরপরই তিনি সরাসরি মমতাকে তোপ দেগে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী ভাষায় কথা বলছেন! তুইতোকারি করে বিরোধীদের আক্রমণ করছেন, এটা কি বাংলার সংস্কৃতি! মমতার পরই নাম না করে ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন নাড্ডা। এই ডায়মন্ডহারবারের সাংসদকে পার্লামেন্টে দেখাই যায় না, বলে কটাক্ষ করেন তিনি। এছাড়াও সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, কৃষকদের পাওনা ৬ হাজার টাকা মমতাজি আটকে দিয়েছেন। বলেছেন, কৃষকদের নয় আমাকে দিয়ে দাও, কৃষকদের নয় আমাকে দাও। এদিকে, ডায়মন্ড হারবারের পথে কনভয়ে হামলার কথা নিজেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জানিয়েছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। আর সঙ্গে সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে রাজ্যের কাছে এ বিষয়ে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
রাজ্য

নাড্ডার কনভয়ে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

ডায়মন্ড হারবার যাওয়ার পথেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হল। ঘটনাটি ঘটেছে সরিষা এলাকায়। এই ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কনভয়ে থাকা গাড়িতে ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ। অন্যদিকে শিরাকোল-ডায়মন্ড হারবার রোডের উপরে বিজেপির সভায় আসা তিনটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের সামনেই তৃণমূল কর্মীরা বিজেপি কর্মীদের ওপর আক্রমণ চালায় বলে অভিযোগ। ওই গাড়িগুলির মধ্যে বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশ, কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও অনুপম হাজরা ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা বলেন, পরিকল্পনা করে বাস জ্যাম করে কনভয় আটকানোর চেষ্টা হচ্ছে। জঙ্গল্ রাজত্ব চলছে। ঘটনার প্রতিবাদে আজ বিকেল ৪টে থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত রাজ্য়জুড়ে অবরোধ কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন রাজ্যের যুব মোর্চা সভাপতি সৌমিত্র খাঁ। হামলায় কয়েকজনের আঘাত লেগেছে বলে অভিযোগ। চারদিকে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনীকে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ পিকের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন বৈশালী ডালমিয়া বিজেপি রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আইনকানুন নেই। এইভাবে সরকার চলছে। পুলিশের সামনেই গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। আমাদের একাধিক নেতার চোট লেগেছে। ২০২১ সালে তৃণমূল সরকার ভেঙে দেব। রাজ্য পুলিশের তরফে টুইট করে জানানো হয়, নিরাপদেই সভায় যোগ দেন জে পি নাড্ডা। তাঁর কনভয়ে কিছুই হয়নি। কনভয়ের পিছনে কয়েকটি গাড়ি লক্ষ্য করে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ ইট-পাথর ছোড়েন। সকলেই সুরক্ষিত। পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রয়েছে। আদতে ঠিক কী হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
রাজনীতি

দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলা , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কনভয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভাঙা হয়েছে বিধায়ক উইলসন চম্প্রমারির গাড়ির কাচও।অল্পের জন্য রেহাই পায় দিলীপ ঘোষের গাড়ি। ঘটনাটি ঘটেছে , ভারত-ভুটান সীমান্তে আলিপুরদুয়ারের কালচিনি ব্লকের দলসিংপাড়ার কাছে। অভিযোগ, সেখানে বিজেপি রাজ্য সভাপতির কনভয় লক্ষ্য করে পাথরবৃষ্টি হয়। দিলীপ ঘোষকে ঘিরে চলে গো ব্যাক স্লোগান। তাঁকে কালো পতাকাও দেখানো হয়। এরপর কোনওক্রমে সভায় হাজির হন তিনি। আরও পড়ুন ঃ যারা মমতাদির হাত দুর্বল করছে , তারা বিজেপির হাত শক্ত করছেঃ ফিরহাদ জানা গিয়েছে , বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জয়গাঁতে জনসভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। পুলিশের দাবি, পঁচিশটি বাইক নিয়ে র্যালির অনুমতি নিয়েছিল বিজেপি। অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও কমপক্ষে একশোটি বাইক নিয়ে র্যালি করার চেষ্টা করেন দিলীপ ঘোষ। দলসিংপাড়াতে ওই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেয় পুলিশ। এর জেরে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বচসা বেঁধে যায়। পুলিশের কর্ডন ভেঙে বেআইনিভাবে বাইক র্যালি চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। এরপর জয়গাঁর মঙ্গলাবাড়িতে পৌঁছয় র্যালি। তারপরেই ঘটে এই ঘটনা। বিজেপি রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু এর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে যে আইনশৃঙ্খলা নেই , তা প্রতি মুহূর্তে প্রমাণিত হয়। এটা তৃণমূলের অবসাদের ফল। নির্বাচন কীভাবে হবে , তা নির্বাচন কমিশন বুঝবে। নির্বাচন করার মতো পরিস্থিতি না থাকলে সরকারকে সরিয়ে দিতে হবে। নির্বাচন এগিয়ে এলে বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হবেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। অন্যদিকে বিজেপি যুব মোর্চা সভাপতি সৌ্মিত্র খান বলেন, দিলীপ ঘোষের উপর হামলার প্রতিবাদে সারা বাংলা জুড়ে প্রতিবাদ জানানো হবে।

নভেম্বর ১২, ২০২০
রাজ্য

দুর্ঘটনার কবলে সাংসদ অর্জুন সিংয়ের কনভয়

দলীয় এক কর্মসূচিতে উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে যাচ্ছিলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং। পথে বাসন্তী হাইওয়েতে মিনাখা থানার বালির হাটের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ল তাঁর কনভয়ের একটি গাড়ি। সেখানে ওই গাড়ির টায়ার ফেটেই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। তাতে আহত হয়েছেন তিন নিরাপত্তারক্ষী, এরমধ্যে একজনের আঘাত গুরুতর। তবে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মিনাখা থানার পুলিশ। পুলিশ এসে আহতদের উদ্ধার করে ভোজেরহাট প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, ডাক্তার সুভাষ সরকার। আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রী হাইকোর্টের রায় বলবৎ হতে দেবেন কিনা , সন্দেহ আছে : অধীর পরে অর্জুন সিং জানিয়েছেন, কনভয়ের একটি গাড়ির পিছনের চাকা ফেটে যায়। ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেটি উল্টে গিয়ে রাস্তার ধারে একটি পুকুরে গিয়ে পড়ে। ওই গাড়িতে ছিলেন অর্জুনের কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষী। তাঁদের মাথায় , হাতে ও পায়ে চোট লেগেছে। স্থানীয় মানুষজন এবং অন্য গাড়িতে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুততার সঙ্গেই আহতদের উদ্ধার করেন।

অক্টোবর ২১, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুলিশের ঘেরাটোপে হাফপ্যান্ট পরে ফলতার রাস্তায় জাহাঙ্গির, বাড়ি ও দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ

ফলতার রাজনীতিতে একসময় যাঁর দাপট ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু, সেই জাহাঙ্গির খান এখন পুলিশের কড়া নজরদারির মধ্যে। তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁকে ফলতার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল পুলিশ। বৃহস্পতিবারের এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খানকে হাফপ্যান্ট পরিয়ে ফলতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও অতীতে অন্যান্য অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে যেমন কোমরে দড়ি বেঁধে এলাকায় ঘোরানোর অভিযোগ উঠেছিল, এ ক্ষেত্রে সেই ছবি দেখা যায়নি। তবুও পুলিশের সদস্যরা তাঁকে হাত ধরে নিয়ে যাওয়ায় ঘটনাটি ঘিরে জনতার কৌতূহল ছিল চোখে পড়ার মতো।তদন্তকারীরা প্রথমে জাহাঙ্গিরকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে নথি ও অন্যান্য সম্ভাব্য প্রমাণের খোঁজে তল্লাশি চালানো হয়। পরে তাঁকে স্থানীয় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়েও নিয়ে যাওয়া হয়। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, অভিযোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন ঘটনার সূত্র খুঁজে বের করতেই এই পদক্ষেপ। একই সঙ্গে তাঁর উপস্থিতিতে ঘটনার পুনর্নির্মাণও করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।জাহাঙ্গিরের গ্রেফতারি নিজেই ছিল নাটকীয়। গত ৮ জুন নেপাল সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে পাকড়াও করে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, তিনি সীমান্ত পেরিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর এসটিএফ অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে এবং পরে কলকাতায় নিয়ে আসে।ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের সময় থেকেই জাহাঙ্গিরকে ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে। ২১ মে অনুষ্ঠিত পুনর্নির্বাচনের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে তিনি হঠাৎ নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেন। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেছিলেন, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ভোটের ব্যালট বা ইভিএমে তাঁর নাম ও দলীয় প্রতীক বহাল ছিল। শেষ পর্যন্ত তিনি ৭,৭৮৩টি ভোটও পান।নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের তল্লাশি অভিযান, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এবং ঝুকেগা নেহি মন্তব্যসব মিলিয়ে জাহাঙ্গিরকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বেড়েছিল। তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতারের পর সেই বিতর্ক আরও নতুন মাত্রা পেয়েছে।এদিকে অভিযুক্তদের এলাকায় ঘোরানো নিয়ে রাজ্য জুড়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার প্রভাবও এই ঘটনায় পড়েছে। এর আগে একাধিক রাজনৈতিক নেতাকে গ্রেফতারের পর কোমরে দড়ি বেঁধে জনসমক্ষে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টও উদ্বেগ প্রকাশ করে রাজ্য সরকারের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, আইন অনুযায়ী পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারে, কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর সামাজিক সম্মানহানি করার অধিকার তাদের নেই।সেই প্রেক্ষাপটে জাহাঙ্গির খানকে নিয়ে পুলিশের এই পদক্ষেপ নতুন করে রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক উসকে দিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ঘটনাপুনর্নির্মাণ নাকি জনসমক্ষে বার্তা দেওয়ার চেষ্টাতা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে ভবানীভবনে অভিষেক! সিআইডির সামনে কী বললেন তৃণমূল নেতা?

কলকাতা হাই কোর্টের কাছ থেকে ১৪ দিনের রক্ষাকবচ পেলেও সিআইডির হাজিরা এড়াতে পারলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ভবানীভবনে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। নির্ধারিত সময়ের আগেই সিআইডি দফতরে পৌঁছে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।বিকেল সাড়ে চারটার কিছু আগে দিল্লি থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে প্রথমে তিনি কালীঘাটে নিজের বাড়িতে যান। সেখানে অল্প সময় অবস্থান করার পর সোজা ভবানীভবনের উদ্দেশে রওনা দেন। সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিট নাগাদ সিআইডি দফতরে পৌঁছন তিনি।সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়ান রেকর্ড করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। তদন্তকারীরা যে প্রশ্ন করবেন, তার উত্তর তাঁকে নিজের হাতেই লিখে দিতে হতে পারে। পরে সেই বয়ানে স্বাক্ষরও করতে হতে পারে। তদন্তের স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই পদ্ধতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীদের মতে, ভবিষ্যতে বয়ান নিয়ে কোনও বিতর্ক বা অভিযোগ এড়াতেই এই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফলে এই মামলার তদন্তে সিআইডি একটি বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করছে বলেই মনে করা হচ্ছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজিরাকে ঘিরে দিনভর ভবানীভবনে ছিল কড়া নিরাপত্তা। মূল প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে দফতরের চারপাশে মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী। নিরাপত্তার স্বার্থে একাধিক স্তরে নজরদারি চালানো হয়।মূল গেটের পাশাপাশি অন্যান্য প্রবেশপথেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। মোতায়েন ছিল বিশেষ বাহিনী এবং অতিরিক্ত পুলিশ। ভবানীভবনের আশপাশে কোনও ধরনের জমায়েত যাতে না হয়, সেদিকেও কড়া নজর রাখা হয়।এখন নজর তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে। সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়ান থেকে নতুন কোনও তথ্য বা সূত্র সামনে আসে কি না, তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

একের পর এক মামলা, বাড়ছে চাপ! অভিষেককে ঘিরে সিআইডির বড় পদক্ষেপ

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্বস্তি আরও বাড়ল। ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার এবার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এতদিন এই মামলার তদন্ত করছিল বিধাননগর সাইবার থানার পুলিশ। তবে সম্প্রতি তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার সমস্ত নথি, তথ্যপ্রমাণ, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং সংশ্লিষ্ট লিঙ্ক ইতিমধ্যেই সিআইডির তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কেস ডায়েরিও হস্তান্তর করা হয়েছে। ফলে তদন্তে নতুন গতি আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।নির্বাচনী প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এই বিতর্কের সূত্রপাত। সেই বক্তব্যকে ঘিরেই বিধাননগর সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছিল এবং এখন সেই তদন্তভার নিয়েছে সিআইডি।অন্যদিকে, বিধানসভার সই জালিয়াতি মামলাতেও চাপের মুখে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁকে ভবানীভবনে সিআইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে। আদালত তাঁকে সাময়িক রক্ষাকবচ দিলেও তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছে।বৃহস্পতিবার বিকেলে দিল্লি থেকে কলকাতায় ফেরেন অভিষেক। এর মধ্যেই একদিকে আদালতের নির্দেশ মেনে হাজিরার প্রস্তুতি, অন্যদিকে নতুন মামলায় সিআইডির সক্রিয়তা সব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে সিআইডি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি এবং কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন। তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর আগে তিনবার সিআইডির তলব এড়িয়ে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন। আদালত তাঁকে সাময়িক রক্ষাকবচ দিলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তদন্তে কোনওভাবেই অসহযোগিতা করা যাবে না। ফলে আগামী কয়েক দিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর থাকবে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

হকার উচ্ছেদে বড় ব্রেক! হাই কোর্টের নির্দেশে আপাতত বন্ধ অভিযান

রেলের জমিতে বেআইনি দখলদার ও হকার উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে আপাতত স্বস্তি পেলেন হকাররা। যাদবপুরে রেলের জমিতে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় কলকাতা হাই কোর্ট আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে ওই সময় পর্যন্ত হকার উচ্ছেদে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না বলে আদালত জানিয়েছে।গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন রেল স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায় বেআইনি দখলদার এবং হকার উচ্ছেদের অভিযান চালাচ্ছিল রেল কর্তৃপক্ষ। শিয়ালদহ, হাওড়া, দমদম-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে রেল সুরক্ষা বাহিনী ও রেল পুলিশ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়।রবিবার গভীর রাতে যাদবপুরে রেলের জমিতে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ নির্মাণ এবং হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে অশান্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ক্ষতিগ্রস্ত হকারদের একাংশ আদালতের দ্বারস্থ হন।বুধবার হকারদের পক্ষে আইনজীবী শামিম আহমেদ জরুরি ভিত্তিতে বিষয়টি আদালতের নজরে আনার আবেদন জানান। সেই আবেদন গ্রহণ করে বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য মামলা দায়েরের অনুমতি দেন এবং ১৭ জুন পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযানের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেন।আদালত আরও জানিয়েছে, হাওড়া, কোন্নগর, ডানকুনি-সহ বিভিন্ন এলাকায় হকার উচ্ছেদ সংক্রান্ত যে মামলাগুলি দায়ের হয়েছে, সেগুলির শুনানি একসঙ্গে করা হবে। এর ফলে রেলের জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে রাজ্যজুড়ে চলা একাধিক মামলার নিষ্পত্তি একই প্রক্রিয়ায় হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।আগামী ১৭ জুন মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। সেই দিন আদালত কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই নজর হকার, রেল কর্তৃপক্ষ এবং রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১১, ২০২৬
দেশ

নিখোঁজ নয়, মৃত্যু! ওমানের উপকূলে হামলায় প্রাণ গেল তিন ভারতীয় নাবিকের

ওমানের উপকূলে তেলের জাহাজে হামলার ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তিন ভারতীয় নাবিকের (Indian Sailors)। প্রথমে তাঁদের নিখোঁজ বলে মনে করা হলেও পরে তাঁদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে নিহত নাবিকদের পরিবারে।জানা গিয়েছে, পালাউয়ের পতাকাবাহী একটি তেলের ট্যাঙ্কার ওমানের উপকূল দিয়ে যাওয়ার সময় হামলার মুখে পড়ে। জাহাজটিতে মোট আটাশ জন নাবিক ছিলেন (Indian Sailors)। তাঁদের মধ্যে চব্বিশ জন ছিলেন ভারতীয়। এছাড়াও পাকিস্তান, ইউক্রেন এবং রাশিয়ার নাগরিকও ছিলেন জাহাজে।হামলার পর দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। বেশিরভাগ নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও তিন ভারতীয় নাবিকের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী জানান, নিখোঁজ তিন নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনের দেহ ইতিমধ্যেই উদ্ধার করা হয়েছে (Indian Sailors)।নিহত নাবিকদের মধ্যে রয়েছেন ডেক ক্যাডেট আদিত্য শর্মা, ইঞ্জিন ফিটার শিবনন্দ চৌরাশিয়া এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার পি সুরেশ। তাঁদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলেন, কেন্দ্র সরকার নিহতদের পরিবারের পাশে রয়েছে এবং সব ধরনের সহায়তা করা হবে (Indian Sailors)।সর্বানন্দ সোনওয়াল আরও জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া দেহগুলি দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে পরিবারের সদস্যরা শেষকৃত্যের সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন।এই হামলার ঘটনায় ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র উদ্বেগ এবং নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটল এবং এর নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরেও আলোচনা শুরু হয়েছে।সমুদ্রপথে কর্মরত ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে এই ঘটনার পর। নিহত তিন নাবিকের মৃত্যুর খবরে শোকস্তব্ধ তাঁদের পরিবার, সহকর্মী এবং গোটা দেশ।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

জল্পনা সত্যি! রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়লেন কোয়েল মল্লিক, নতুন চর্চা রাজনৈতিক মহলে

দিন কয়েক ধরেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছিল। অবশেষে সেই জল্পনাই সত্যি করে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক (Koel Mallick)। বৃহস্পতিবার তাঁর ইস্তফার খবর সামনে আসতেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।এর আগে একাধিক সাংসদ নিজেদের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেই তালিকায় এবার যোগ হল কোয়েল মল্লিকের (Koel Mallick) নাম। তাঁর পদত্যাগের ফলে রাজ্যসভায় দলের সাংসদ সংখ্যা আরও কমে গেল বলে রাজনৈতিক সূত্রের দাবি।রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দলের অন্দরে নানা পরিবর্তন এবং মতভেদের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন স্তরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে বলেও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। লোকসভা, বিধানসভা এবং রাজ্যসভা সব ক্ষেত্রেই এই পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে (Koel Mallick)।রাজ্যসভার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। এখানে সরাসরি বড় ধরনের ভাঙনের বদলে একের পর এক সাংসদের পদত্যাগের ঘটনা সামনে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন সদস্য ইস্তফা দেওয়ার পর কোয়েল মল্লিকের সিদ্ধান্ত সেই জল্পনাকে আরও উস্কে দিয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চলতি বছরের শুরুতে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে কোয়েল মল্লিকের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে তিনি সাংসদ হিসেবে শপথও নেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, মানুষের সেবা এবং দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ পাওয়া তাঁর কাছে বড় দায়িত্ব।তবে কয়েক মাসের মধ্যেই তাঁর এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। যদিও ইস্তফার কারণ নিয়ে এখনও বিস্তারিত কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।কোয়েল মল্লিকের এই সিদ্ধান্তের পর আগামী দিনে রাজ্যসভার সমীকরণ কোন দিকে যায় এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তার কী প্রভাব পড়ে, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘ওর জন্য দলের সর্বনাশ’! নাম না করে অভিষেককে তীব্র আক্রমণ কল্যাণের

তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের নেতা এবং প্রবীণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বহু বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলায় আদালতে সওয়াল করেছেন তিনি। কিন্তু এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তাঁর একাধিক মন্তব্যে দলের অন্দরের অস্বস্তি প্রকাশ্যে এসেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) জানিয়েছেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিষয়ে তাঁকে আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। তাঁর দাবি, তিনি চেম্বারে বসে থাকার সময় অন্য এক আইনজীবীর মাধ্যমে জানতে পারেন যে একটি নতুন আবেদন দায়ের করা হয়েছে। অথচ বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না। এই ঘটনায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এরপর আর মামলাটি লড়বেন না বলে সিদ্ধান্ত নেন।তিনি আরও দাবি করেন, পরে তাঁকে জানানো হয় যে মামলায় অন্য একজন আইনজীবী সওয়াল করবেন। এই পুরো প্রক্রিয়ায় তাঁকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং দলের হয়ে লড়াই করার পরও তাঁর সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তা মেনে নেওয়া কঠিন।রাজ্যের নানা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও আইনি লড়াইয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথম সারিতে দেখা গিয়েছে। বিরোধী আমল থেকে শুরু করে ক্ষমতায় থাকার সময়েও তৃণমূলের হয়ে একাধিক আলোচিত মামলায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সেই কারণেই তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে কল্যাণ বলেন, দলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আত্মসমালোচনা প্রয়োজন। তিনি অভিযোগ করেন, দলের ভিতরে কিছু সিদ্ধান্ত এবং আচরণই বর্তমান সংকটকে আরও গভীর করেছে।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণভাবে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর সমর্থন আগের মতোই রয়েছে। তবে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তাঁর মন্তব্যের পর তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, প্রবীণ এই নেতার বক্তব্য শুধু ব্যক্তিগত ক্ষোভ নয়, দলের ভিতরের বৃহত্তর অসন্তোষেরও ইঙ্গিত হতে পারে। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পর এখন নজর তৃণমূল নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়ার দিকে। কারণ তাঁর বক্তব্য রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলেই মনে করছেন অনেকেই।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে বড় ধাক্কা! আজই সিআইডি দফতরে হাজিরার নির্দেশ অভিষেককে

সই জাল মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে বড় ধাক্কা খেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৌশিক চন্দ নির্দেশ দেন, অভিষেককে এদিন সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই সিআইডির সদর দফতর ভবানীভবনে হাজিরা দিতে হবে। একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে তাঁকে।উল্লেখ্য, এর আগে সিআইডির তিনটি তলব এড়িয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সেই প্রেক্ষিতে আদালত জানায়, তদন্ত প্রক্রিয়াকে আর বিলম্বিত করা যাবে না। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থা প্রয়োজন মনে করলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে এবং তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নিতে পারবে।তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) জন্য সাময়িক স্বস্তির খবরও রয়েছে। আদালত তাঁকে আগামী ১৪ দিনের জন্য রক্ষাকবচ দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। তবে সেই সুরক্ষার শর্ত হিসেবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুনানির সময় সিআইডির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এই মামলায় অভিযোগ সাধারণ কোনও সূত্র থেকে আসেনি। সংশ্লিষ্ট বিধায়করাই অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্তে ইতিমধ্যেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে বলেও আদালতে জানানো হয়। তাই এই পর্যায়ে কোনও বিশেষ সুরক্ষা দেওয়া উচিত নয় বলে সওয়াল করেন তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী (Abhishek Banerjee)।অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল হাজিরা দিতে প্রস্তুত রয়েছেন। তবে তিনি বর্তমানে কলকাতার বাইরে থাকায় কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছিল। আদালতে তাঁর আইনজীবী জানান, প্রয়োজন হলে পরদিনও হাজিরা দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, তদন্তে সহযোগিতা করতে হলে আজই হাজিরা দিতে হবে।বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, যেহেতু অভিষেক নিজেই তদন্তে সহযোগিতার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, তাই তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে। সেই কারণেই একদিকে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে তদন্তে সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।এদিকে এই মামলার আইনি লড়াই নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রথম দিকে মামলায় অভিষেকের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে পরে তিনি সরে দাঁড়ান। এরপর বৃহস্পতিবার আদালতে অভিষেকের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য।হাইকোর্টের এই নির্দেশের পর এখন নজর ভবানীভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজিরা এবং তদন্তের পরবর্তী গতিপ্রকৃতির দিকে।

জুন ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal